Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

» » » » » উত্তর কোলকাতায় সুদীপের জয়ে কাঁটা হতে পারে অন্তর্ঘাত। Ek Jholok



শুভাশিস ঘোষ - আশির দশকে প্রয়াত সাংবাদিক বরুন সেনগুপ্তের দেওয়া "তরমুজ" নামটা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। যার মূলে ছিল কংগ্রেসের গোষ্ঠী রাজনীতি। যেখানে বেশ কিছু কংগ্রেস নেতা দিনে সিপিএম বিরোধীতার নামে নাটক করে রাতের আধারে সিপিএমের হাতে তামাক খেয়ে তাদের হয়েই কাজ করতেন। যাদের উপরটা তরমুজের মতো সবুজ দেখালেও ভিতরে ছিল লাল। এমনটাই ধারণা বর্তমানে ক্রমেই প্রকট হতে চলেছে রাজ‍্যের শাসক দল তৃণমূল সম্পর্কে, যেখানে দলের মধ্যে থেকেও বিরোধী বিজেপির দিকে ঢোলে  পড়েছেন এমন কর্মীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এক কথায় যাদের উপরটা সবুজ মনে হলেও ভিতরে গেরুয়া ঝড় বলা‌ যায়। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। উদাহরণ হিসেবে উত্তর কোলকাতার লোকসভা আসনের কথাই ধরা যাক। টানা আট বারের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় সম্পর্কে প্রথম প্রথম যতটা নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছিল ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকে ক্রমশই বাড়ছে আশঙ্কা। উত্তর কোলকাতার এই সাংসদের রাজনৈতিক বাগ্মিতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন না থাকলেও বিগত দিনে তার বিরুদ্ধে ওঠা রোজভ্যালি চীটফান্ড কান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে জেলে যাওয়া  এখন যেমন বিরোধী বিজেপির অভিযোগের হাতকে শক্তিশালী করেছে তেমনি শাসকদলের অভ‍্যন্তরেও এনিয়ে নানা দ্বিধা দ্বন্দ লক্ষ‍্য করা যাচ্ছে। যাদের অনেকেই মনে করেন,এবারে এই কেন্দ্রে মমতা ব্যানার্জি প্রার্থী বদল করলেই ভালো করতেন। আইনি ভাবে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এই সাংসদের কোন বাধা না থাকলেও মানুষের কাছে তার ভাবমূর্তির যে অনেকটাই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনটাই হাবেভাবে বলছেন তৃণমূলের অনেক কর্মী সমর্থক। যেখানে গত ২৭ মার্চ মানিকতলার বিধায়ক মন্ত্রী সাধন পান্ডের বাড়িতে একটি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে ডাকা হয়েছিল শুধু মাত্র স্থানীয় কিছু ক্লাব সংগঠনের কর্তাব্যক্তিদের। এদের প্রায় সবাই সরকারি অনুদান প্রাপ্ত ক্লাব ছিল, যাদের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য মন্ত্রী নির্দেশ দেন। কিন্তু তার নির্দেশে আদৌ কতটা কাজ হবে তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলে উল্টোডাঙ্গার এক ক্লাবের কর্তার পরিস্কার বক্তব্য, অনুদান দেওয়া বা নেওয়ার সময় আমাদের সঙ্গে এরকম কোন চুক্তি ছিল নাকি, যে এখন নির্বাচনী প্রচারে তাদের অংশ নিতে বলা হচ্ছে? যদিও নেতৃত্বের সামনে নিজেদের ক্ষোভ চেপে রাখলেও এটাই যদি ভোট বাক্সে বুমেরাং হয় তাহলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের  প্রতিদ্বন্দ্বী রাহুল সিনহার হাঁসি যে চওড়া হবে তা বলাই যায়। যদিও এই মুহূর্তে সাংসদ সুদীপ ব‍্যানার্জিকে বিপুল ভোটে জেতানোর বার্তাই দিতে চেয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যেখানে গত ৩০ মার্চ উত্তর কোলকাতার দেশবন্ধু পার্কের লেডিস গ্রাউন্ডে এক বিশাল কর্মীসভার  আয়োজন করা হয়। যাতে প্রায় সব নেতৃত্বই সুদীপ বাবুকে বিগত বছরের ন‍্যায় এবারেও বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সাধন পান্ডে, কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিন্দ্য কিশোর রাউত, ১৪, ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অমল চক্রবর্তী ও কাউন্সিলর সাধন দাস, প্রনতি ভট্টাচার্য, স্মরজিত ভট্টাচার্য, শিবাজী সিংহ রায় প্রমুখ।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply