Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

» » » » » » » ভোটের হাওয়া: পঞ্চায়েতের ভূত তৃণমূলের আতঙ্ক, উত্তরে উল্টো সুর



নারী ভোটার

শুভাশিস ঘোষ -   "পঞ্চায়েতের নির্বাচনে আমাকে ওরা ভোট দিতে দেয়নি,আর সেটা মনে রেখেই এই নির্বাচনে নিজের ভোটটা দেব",এমনি খেদোক্তি ঝড়ে পরছিল মোল্লা রজব আলী সাহেবের কথায়।যার পরিস্কার মানে করলে দাঁড়ায় পঞ্চায়েতের শাসক দলের ভোট লুটের ক্ষত মনে গেঁথে নিয়ে ১৯ মে বুথে যাবেন ভোট দিতে। যেটাই এখন তৃণমূলের কাছে পঞ্চায়েতের ভূতুড়ে আতঙ্ক বলা যায়।অন‍্যদিকে বিরোধীদের কাছে আর্শীবাদ বলা যায়। পশ্চিম বঙ্গ সরকারের বিধি বিভাগের প্রাক্তন এই কর্মচারী আজীবন কংগ্রেস রাজনীতির এক কট্টর সমর্থক। বর্তমানে সেভাবে দলের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও নিজেকে এখন একজন কংগ্রেসের কর্মী হিসাবেই দেখতে ভালো বাসেন।যার কথায় দেশের বিভেদ কামী শক্তি বিজেপির এখন একমাত্র বিকল্প হলো কংগ্রেস এবং অবশ্যই রাহুল গান্ধী। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃতীয় জোটের আদৌ কোন ভবিষ্যত আছে বলে তিনি মনে করেন না। যদিও মোল্লা রজব আলী সাহেবের এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকে সহমত না হলেও একটা বিষয় কিন্তু সবাই একমত এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের সন্ত্রাস ও জোর করে ভোট দিতে না দেওয়া।গত ৩১মার্চ সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের সলুক সন্ধান করতেই আমরা বেছে নিয়েছিলাম উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত ও বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র দুটি। এদিন যাত্রা শুরুতে পেয়ে গেলাম বারাসাত কাজি পারার শিমুলতলা অঞ্চলের এক বছর পঁয়ত্রিশের যুবককে নাম খুরশিদ আহমাদে। ভোটের সময় কাকে ভোট দিবেন সেক্ষেত্রে পছন্দের ব‍্যাপারে কোন কোন বিষয় গুলো মাথায় রেখে ভোট দেবেন এমনি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বললেন, ভোট দেব উন্নয়নের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে। যেখানে নরেন্দ্র মোদীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কিম্বা এয়ার স্ট্রাইক তার বিচার্য নয়। তার বক্তব্য, উন্নয়নের পাশাপাশি বেকারত্ব দূর এবং বিভেদের রাজনীতি কে পরাস্ত করতেই তিনি ভোট দেবেন।আর এই জায়গায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার পছন্দ মমতা ব্যানার্জি। যদিও মমতাকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাওয়া খুরশিদ আহমাদে এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাদা গিরি নিয়েও ক্ষোভ জানিয়ে রাখলেন। আমাদের যাত্রা অভিমুখ টাকি রোড দিয়ে সোজা বসিরহাট ছিল, পথে গোলাবাড়ি

মোল্লা রজব আলী

বাজারে একটু থামা। ক্ষুদ্র দোকানি ভোটের প্রসঙ্গ পাড়তেই এখানে এগিয়ে এলো আরো কয়েকজন মানুষ। বেশির ভাগ সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।সবাই প্রায় এক সুরে বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদীর বিরোধী। এদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকার ও প্রধানমন্ত্রী চেয়ারে রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান। যেখানে একজন হিন্দু বাঙালি ভোটার মমতা ব্যানার্জির পক্ষে মত দিলেন।কে বলল, এরাজ্যের কংগ্রেসের ভোট নেই? বরং এখানে এলে মনে হবে তৃণমূল নয় মানুষের কাছে রাহুলের প্রয়োজন অনেক বেশি। কিন্তু হলে কি হবে? কংগ্রেসের প্রার্থী কে সেটাই তো বোঝা মুশকিল।যা নিয়ে রজব সাহেবের খেদই সত্যি বলে মনে হয় যখন দেখি প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক গফুর সাহেবের ছেলে দিলুর দেওয়াল হাতে গোনা,  আর তৃনমূলের নুসরাত জাহান সর্বত্র।এই আসনে আছেন সিপিআই দলের পল্লব সেন, বিজেপির সায়ন্তন বসু।শুনে অবাক হবেন এখানে রাজনৈতিক মেরুকরণ এক প্রকার দুষিত করতে চলেছে ভোট রাজনীতির পরিবেশ। এমনটাই মনে হবে ভ‍্যাবলা অঞ্চলে এলে। এখানে হিন্দুদের  একমাত্র বিজেপি পাবে এমনি থিউরি আওড়ালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু মানুষ। যাদের


নতুন ভোটার

পরিস্কার বক্তব্য, পঞ্চায়েতের নির্বাচনে আমাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি, তাই এবার আমরা ভোট বাক্সেই জবাব দেব।একই রকম অভিজ্ঞতা থেকে এবারে ভোট কেন্দ্রে যাবেন মালঞ্চ নেপাল মোড়ের বাসিন্দারা। এখানে বেশ কিছু মহিলাদের দেখা পাওয়া গেল যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গ্রামে মহিলা অধিকার মঞ্চ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে। এদের মধ্যে লক্ষী মুন্ডা,সায়নাড়া বিবি,মাসুদা খাতুন,খোদাজা খাতুন (নতুন ভোটার)সবারই একটাই বক্তব্য তৃণমূলের স্হানীয় নেতাদের দাদা গিরিতে আমাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে যেখানে এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে না পারাটাই এক বড়সড় ইস‍্যু হয়ে উঠবে এমনটা বলাই যায়। যাদের কাছে এই মুহূর্তে বিজেপির বিকল্প হলো কংগ্রেস এবং তার নেতা রাহুল গান্ধী।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply