Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

Banner


Trulli

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

» » » নববর্ষের জৌলস ক্রমেই কি ফিকে হচ্ছে? প্রশ্নের উত্তর খুজলো এক ঝলক।

Ek Jholok

শুভাশিস ঘোষ - বাংলা নববর্ষ হলো বাঙালির বারোমাসে তেরো পার্বণের মধ‍্যে অন‍্যতম একটা বিশেষ দিন।বৈশাখ মাস বাংলায় বছর শুরুর এই দিনটিকে তাই আক্ষরিক অর্থেই বর্ষবরণের দিন বলা হয়।এই দিনটির বিশেষত্ব আরো একটি কারনে সেটা হলো দিনটিকে হালখাতা দিবস হিসাবেও অনেকে পালন করে।সকাল সকাল পূজার ডালা হাতে মন্দিরে মন্দিরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে খাতা পুজো তারপর পুরনো বছরের হিসাব নিকাশের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে নতুন করে হালখাতা অর্থাৎ হাল ফিল হিসাব তৈরি করা।স্বাভাবিকভাবেই এদিনে দোকান ব‍্যবসায়ীরা তাদের গোটা বছরের আয়ব‍্যয়ের একটা চিত্র পেয়ে যায়।কিন্তু দিনে দিনে সেই বর্ষবরণের দিনটি কি তার জৌলস হারাচ্ছে? এমনই প্রশ্নের উত্তর খঁজতে সপুত্র হাজির হয়েছিলাম দক্ষিনেশ্বর মন্দিরে।সকাল সোয়া নটায় মন্দিরের লাইন সাপের মতো এঁকেবেঁকে গেছে যার শেষটা গিয়ে ঠেকেছে বালি ব্রিজের উপর।প্রায় দুই কিলোমিটার লম্বা লাইনে সবার পিছনে দাঁড়িয়ে বোঝার চেষ্টা করছি ঠিক কখন মূল মন্দিরে পৌছতে পারবো।অতকিম্ লাইনে দাঁড়িয়েই শুরু করলাম আমার বর্ষববণের দিনটির5 বর্তমান গুরুত্ব ওবৎৎডৎখ া তাৎপর্য সম্পর্কে।বছর চল্লিশের এক যুবককে দেখে প্রশ্ন করলাম,কি করেন? নিশ্চয় ব‍্যবসা।

Ek jholok

ভদ্রলোক বললেন,আমাদে প্রজেক্ট এলাকায় মাটি ভরাটের ব‍্যবসা যারই কারনে পুজো দিতে আসা,এখন ব‍্যবসার হাল কিরম ? একটুও না ভেবে উত্তর দিলেন ভালো নয়।রিয়েল এস্টেট ব‍্যবসায় মন্দা।তাই তাদের বাণিজ‍্যেও মন্দা।একই রকম অনুভতির কথা শোনালেন হুগলির কোন্নগর থেকে পুজো দিতে আসা সুজয় বনিকের।নিজের ছোট একটা কাপড়ের দোকান চালিয়ে বছর পাঁচেক আগেও রোজগার যা হতো তাতে হেসে খেলে দিন গুজরান হয়ে যেত কিন্তু গত কয়েক বছরে রোজগার অনেকটাই কমেছে যেখানে বিক্রিবাট্টা আশানরুপ না হওয়ায় এখন খরচের বহরও কমাতে হয়েছে।তার কথায় এখন দোকানের হালখাতা উপলক্ষে সেরকম লোক সমাগম হয় না।খদ্দের বলতে পুরনো কিছু পরিচিত বন্ধু বান্ধব আর আত্নীয় স্বজন।যা দিয়ে বাজনার থেকে খাজনাতেই অর্থ ব‍্যয় বেশি।তাই সকাল সকাল মা ভবতারীনির মন্দিরে পুজো দিয়ে কোন ক্রমে নতুন খাতার উদ্বোধন।



যেখানে বছর শেষ ও শুরু সবটাই শূন‍্য কলসীর মতো। যার কথায় নোটবন্দি আর জিএসটি আমাদের ব‍্যবসার আরো দফারফা করে ছেড়েছে।যদিও বৈশেখে পয়লা দিনে উৎসুক মানুষের বিরামহীন স্রোতই বলে দেয় মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাত্রা।যতই কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে মানুষের মনে ধার্মিক ভাবনা ততই পল্লবিত হচ্ছে,যেখানে সব সমস‍্যার সমাধান যে ত্রিনয়নী মা ভবতারীনির হাতেই আছে সেই আশাতেই লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রশ্নাতীত ভক্তির পরীক্ষা।যদিও বাংলা নববর্ষের মাধূর্ষ‍্য অন‍্য আঙ্গিকেও বহমান।যেখানে বাংলা তথা বাঙালি চেতনার এক শাশ্বতঃ বর্ণময় দিন এটা যাকে ঘিরে দুই বাংলায় মানুষের মধ‍্যে এক চিরাচরিত উন্মাদনা লক্ষ‍্য করা যায় প্রতি বছর।যাকেই সম্বোধন করে বিশ্ব কবি লিখেছিলেন,এসো হে বৈশাখ এসো হে "।যেখানে এই মাসের পঁচিশ তারিখ আমাদের অতি প্রিয় বরেণ‍্য একটি দিন।বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply