Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

Banner


Trulli

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

» » » » » বাঁকুড়ার ভিন্ন স্বাদের জমজমাট কেঞ্জাকুড়ার মুড়িমেলা।





কথায় আছে, ‘বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ’। পুজো-পাঠ এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রাম-গঞ্জে মেলার আয়োজন করা হয়। শীতকালে ওইসব মেলায় রকমারি পসরা সাজিয়ে বসে বিক্রেতারা। তবে প্রতি বছর ৪ মাঘ বাঁকুড়ার কেঞ্জাকুড়ায় ভিন্ন রকমের মেলা বসে। দ্বারকেশ্বর চরের ‘মুড়ি মেলা’কে কেন্দ্র করে মেতে ওঠে বাঁকুড়াবাসী। বাঁকুড়া-১ ও ২ এবং ছাতনা ব্লক সহ বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন শনিবারের ওই মেলায় হাজির হন। দ্বারকেশ্বর নদের চরে গামছা পেতে মুড়ি খাওয়ার প্রচলন থাকায় মেলার ওইধরনের নামকরণ হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।



প্রসঙ্গত, দ্বারকেশ্বর নদের চরে রয়েছে কেঞ্জাকুড়া মহাশ্মশান। ওই শ্মশানে সঞ্জীবনী মাতার মন্দির আছে। প্রতিবছর মকর সংক্রান্তির দিন দেবীর পুজো শুরু হয়। চারদিন ধরে পুজো-পাঠ চলে। শেষদিন ধুলটের আয়োজন করা হয়। এদিন সেখানে ধুলট ছিল। প্রতিবছর এই দিনটিতেই বসে মুড়ি মেলা।   গামছায় মুড়ি মাখিয়ে সকলকে ভাগ করে খেতে দেখা যায়। কেউ কেউ শালপাতায় মুড়ি নিয়ে খান।

পুরুলিয়ার কাপড়গলির বাসিন্দা মৌসুমি কর্মকার স্বামীর সঙ্গে মুড়ি মেলায় হাজির হন। মৌসুমিদেবী বলেন, কেঞ্জাকুড়ায় আমার বাপেরবাড়ি। ছোট থেকে মুড়ি মেলায় যাতায়াত রয়েছে। ফলে মেলার প্রতি টান আজও রয়ে গিয়েছে। মেলার দিনে দ্বারকেশ্বর চরে গামছা পেতে মুড়ি না খেলে মন ভরে না।



ছাতনার শুশুনিয়ার বাসিন্দা তারা তন্তুবায়, অপর্ণা দাস বলেন, আমরা ছোট গাড়ি ভাড়া করে মেলায় এসেছি। প্রতি বছর মুড়ি মেলায় যোগ দিই।

পুজো এবং মেলার অন্যতম উদ্যোক্তা বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, প্রায় ৫০বছর ধরে মুড়ি মেলা চলে আসছে।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply