Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

» » » » » হেমনগর পারঘুন্টী সংযোগকারী ব্রিজ নির্মাণের টাকা নয়ছয়ের প্রমাণ এক ঝলকের...



শুভাশিস ঘোষ: উত্তর ২৪ পরগনার হিঙলগন্জ ব্লকের হেমনগর পারঘুন্টী সংযোগকারী গোমতী নদীর উপর প্রস্তাবিত ব্রিজটি নির্মান ঘিরে ইতিমধ্যেই টাকা নয়ছয় সহ একাধিক দুর্নীতি এবং বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যা গত কয়েকটি এপিসোডে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। যেখানে এই অঞ্চলের মানুষের বহু প্রতীক্ষিত একটি সেতুর নির্মাণ কাজে কি পরিমান টাকা নয়ছয় হয়েছে তারই কিছু যুক্তি গ্রাহ‍্য তথ্য প্রমাণ এখানে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রথমত সুন্দর বন উন্নয়ন দপ্তরের চার কোটি টাকার এই প্রজেক্টের বরাত দেওয়ার দায়িত্ব ন্যাস্ত হয় পি ডাব্লিউ ডি বিভাগের অধিনস্ত স‍্যাক্সবি ফার্মার লিমিটেডের উপর। যেখান থেকে এই কাজ সম্পন্ন করতে আওয়ার্ডেট টেন্ডার হিসাবে স‍্যাক্সবি কর্তারা দায়িত্ব দেন এ কে হাইরাইজ নামক কন্সট্রাকশন কোম্পানিকে। কিন্তু বরাত নেওয়া ওই সংস্হাটি শুরু থেকেই তাপস পাঠক কন্সট্রাকশনকে সাব টেন্ডার হিসেবে কাজের দায়িত্ব দেয়। যাদের আদৌ এধরনের ব্রিজ নির্মাণের কোন অভিজ্ঞতা আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো খোঁজখবর না উক্ত নির্মাণ সংস্থার তরফে নেওয়া হয়েছে না স‍্যাক্সবি কর্তৃপক্ষ নিয়েছিলেন। ফলে শুরুতেই এই প্রজেক্টের কাজ নিয়ে স্থানীয় স্তরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এমনকি এই প্রজেক্টের কাজ দেখিয়ে তাপস পাঠক মার্কেট থেকে বিভিন্ন সময় প্রচুর ধারদেনা করে থাকে। যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা কিভাবে ব্রিজ নির্মাণের নামে নয়ছয় হয়েছে তার একটি উদাহরণই এখানে যথেষ্ট হবে। আমাদের হাতে তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে ২৮/১২/২০১৭ তারিখে এসবিআই ব‍্যাঙ্কের মাধ্যমে স‍্যাক্সবি ফার্মার লিমিটেড একটি ২০,০০,০০০ টাকার চেক ইস্যু করে এ কে হাইরাইজ সংস্থার নামে, যে চেকের নং159693, যেখানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য এই টাকা দেওয়া হলেও তার সঠিক ভাবে খরচ করা হয়নি এমনটাই অভিযোগ। যেকারনে J,D Enterprise এর নামে ইস‍্যু করা ৩/১/১৮ তারিখের ২০০,০০০, টাকা কি কারণে কাকে দেওয়া হয়েছিল,আদৌ ওই সংস্থার সঙ্গে নির্মাণকারী সংস্থার ব্রিজ নির্মাণে কোন ব‍্যবসায়িক লেনদেন ছিল কিনা সে বিষয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। যেখানে সরকারি কাজে অনুমোদিত টাকা কিভাবে কতটা ব্রিজের কাছে খরচা করা হয়েছিল সেই প্রশ্ন তোলাই যায়, যে টাকা আক্সিস ব‍্যাঙ্কের মাধ্যমে যার চেক নং 513314, জে,ডি, এন্টারপ্রাইজ সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল, এ বিষয়ে প্রশ্ন হলো তারা কি কারণে এই টাকা এ কে হাইরাইজ সংস্থার থেকে পায়? এবং কি সার্ভিস তারা প্রভাইড করে। আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে যাতে পরিস্কার বোঝাই যায় সরকারি টাকায় মোচ্ছব চলেছে, যার সাথে হাওড়ার এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। যেখানে পুরো টেন্ডার ঘিরেই এক চরম দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতাই এই প্রজেক্টের অচল অবস্থার সৃষ্টি করেছে। যারই সঙ্গে তৎকালীন স‍্যাক্সবির কিছু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ এবং একই সঙ্গে সুন্দর বন উন্নয়ন দপ্তর যুক্ত। যা থেকে অনুমেয় কি ক্ষমতায় এ কে হাইরাইজের মালিক অলোক কুমার ব‍্যানার্জি তার উপর থেকে অভিযোগের সব তীরই ঘুরিয়ে দিয়েছেন রাজ‍্য সরকারের ওই দুই সংস্থার বিরুদ্ধে।

সূত্রের দাবি ইতি মধ‍্যেই ব্রিজ নির্মান খাতে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচা দেখানো হলেও এখনো আশি শতাংশ কাজ অধরা,যা নিয়ে জনমনে দুর্নীতির তথ‍্যই বদ্ধমূল হচ্ছে।

এ কে হাইরাইজের মালিক অলোক কুমার ব‍্যানার্জির ভাষ্য হলো তিনি এ ব্যাপারে কোনো ভাবে মিডিয়াকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে সম্মত নন। কিন্তু এক ঝলক সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এ বিষয়ে সুরাহা না হওয়া অব্দি দমে যেতে নারাজ। এক ঝলক টিম এই ব্রিজটি নির্মাণে বেনিয়মের সব তথ্য সংগ্রহ করে আপনাদের সামনে হাজির করতে সর্ব্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply