Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

আমাদের নেত্রীর প্রতি মানুষের অগাদ আস্থা বললেন তৃণমুল নেতা গোপাল মাঝি। E...



কুলতলির ভোট শান্তিপুর্ন হচ্ছে এমনটাই দাবি করলেন এই অঞ্চলের তৃণমুল নেতা গোপাল মাঝি। তার বিশ্বাস মানুষ এবারে তাদের প্রার্থী প্রতিমা মন্ডলকে আরো বেশি ভোটে জেতাবে। শুধু কুলতলি বিধানসভাই তাদের ৪০ হাজার ভোটে লিড দেবে এমনটাই  দাবি তার। তিনি বললেন ভোটের বাজারে সিপিএমের সবাই এখন বিজেপি হয়ে গেছে। যদিও বেলা সাড়ে তিনটেতেই এই ব্লকের বেশির ভাগ বুথেই আশি শতাংশ ভোট পড়েগেছে বলে খবর।

বিজেপির সম্মান রক্ষায়, ঘাম ঝড়াচ্ছে বামেরা! Ek Jholok



শুভাশিস ঘোষ - আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি সাত দফা নির্বাচনের নিঘন্ট শেষ হতে। যা নিয়ে দুর্ভাগ‍্যক্রমে দেশের নির্বাচন কমিশনের হঠৎ করে নেওয়া প্রচারের সময় কাটছাট করার বিষয়টি এখন গোটা দেশেই সমালোচনার ঝড় তুলে দিয়েছে।প্রশ্ন উঠেছে এই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। যাকেই আরো কঠোর ভাষায় দুষে রাজ‍্যের মুখ‍্যমন্ত্রী তথা তৃণমুল সুপ্রীমো বলেছেন, এই কমিশন এখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। যে মন্তব‍্যের একইরকম বহিপ্রকাশ দেখিয়েছেন দেশের প্রায় সবকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল। যেখানে নির্বাচন কমিশনের এই বৈমাতৃক আচরণ যে বিজেপির সুবিধা করে দিতেই সে বিষয়ে গোটা দেশ যখন তৃণমুল নেত্রীর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন তখন এরাজ‍্যের মার্কসবাদীদের ভোটের মুখে ভুমিকা দেখে যারপড়নাই আশ্চর্য হচ্ছেন রাজ‍্যবাসী। উঠছে তাদের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে  ভোট ট্রন্সফারের মারাত্মক অভিযোগ।



যেই  অভিযোগ সামনে আসতেই  এলাকায় এলাকায় চরম অসস্থিতে পড়ছেন এই দলের একাংশের নেতাকর্মীরা।   যারা এখনো একশোভাগ দলের নীতি আদর্শের উপর আস্থাশীল। ঘটনা হলো গত ষোল তারিখ রাতে রাজ‍্য বিজেপির দুই নেতা মুকুল রায় ও দমদম কেন্দ্রের প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঐ এলাকার একদা দোর্দনন্ড প্রভাবশালী নেতা পল্টু দাশগুপ্তর মধ‍্যে গোপন মিটিং ঘিরে এলাকায় ব‍্যাপক ক্ষোভ দানা বাধে। স্থানীয়  কিছু মানুষ এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতে পারেননি। তাদের বক্তব‍্য ছিল তৃণমুলকে হারাতে সিপিএম বিজেপির মধ‍্যে এক অশুভ জোট তৈরির চেষ্টা চলছে। যার পিছনে রয়েছে টাকার খেলা। যা নিয়ে এক ঝলকের  অন্ততদন্তে উঠে এসেছে আরো মারাত্মক অভিযোগ। যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একসময়ের কর্মী সমর্থকদের দাবি এই অনৈতিক জোট বা মিটিং তাদের না জানিয়েই রাতের অন্ধকারে হচ্ছিল। যেখানে হাড়মাস কালি করে এই নির্বাচনে দলের প্রার্থী নেপালদেব ভট্টাচার্যকে তারা যখন জেতানোর জন‍্য চেষ্টা করছেন তখন দলেরই অন‍্য একটি অংশ টাকার বিনিময় জেতা ম‍্যাচ বিজেপিকে ছেড়ে দিতে চাইছে। এরই বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোতে স্থানীয় মানুষের ক্ষোভের শিকার হন মুকুল শমীকরা। ভাঙচুর হয় তাদের গাড়ি।



এনিয়ে এই এলাকার দীর্ঘ দিনের এক প্রত‍্যক্ষদর্শি বাসিন্দার কথায়, যা দেখছি তাতে এটা পরিস্কার যে বিজেপির কিভাবে সম্মান রক্ষা করা যায় তার জন‍্য ঘাম ঝড়াতে মাঠে ময়দানে নেমে পড়েছেন সিপিএমেরই কিছু নেতা। যাদের নিয়ে স্থানীয়  মানুষের মধ‍্যে প্রচুর ক্ষোভ থাকায় পার্টির সুচিন্তিত গোষ্ঠীও এদের এড়িয়ে চলতে শুরু করেছে। যেখানে এদিনের গণবিক্ষোভে স্থানীয় কিছু পুরনো কট্টর সিপিএম কর্মীকেও দেখা গেছে। যাদের বক্তব‍্য ছিল আদৌ এধরনের কোন গোপন মিটিং দলের রাজ‍্য কমিটি অনুমোদন দিয়েছিলেন কিনা তা তাদের জানা নেই। যা নিয়ে শাসক দলের কর্মী সমর্থকরাই এদিন বিক্ষোভে একমাত্র অংশ নিয়েছে এমনটা কিন্তু অনেকেই মানতে রাজি নন।আমাদের প্রতিনিধির কাছে এবিষয়ে ঐদিনের ঘটনার প্রত‍্যক্ষদর্শির মন্তব‍্য, এদিন জনতা ধরে না ফেললে ভালো টাকার লেনদেনই হয়ে যেতো। যেখানে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বিনিময় বিজেপিকে ওই আসনটিতে সিপিএম তার দলের তরফ থেকে ওয়াকভার দেবে এমন ডিলই পাক্কা হতে যাচ্ছিল।



যেখানে খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠবে কেন এবং কি কারনে এই সিটে সৌগত রায়কে হারানোর জন‍্য রাম বামের এই অশুভ রামধনু জোট?  যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে স্থানীয়  রাজনৈতিক ওয়াকিবহল  মহলের দাবি যেভাবে দমদমে স্বয়ং মোদীজিকে নিয়ে এসে সভা করানো হয়েছে তারপর ওই সীটটা জিততে না পারলে রাজ‍্য বিজেপির নেতাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে মান সম্মান বলে কিছু অবশিষ্ট থাকবেনা। উল্টে এটাই প্রমাণ হবে যে নরেন্দ্র মোদীর আর পাবলিক ইমেজ নেই, যেটা হলে খুব স্বাভাবিক  ভাবেই দেশের রাজনীতিতে এর বিরুপ প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে এই জয়টা নরেন্দ্র মোদীর কাছে খুবাই মাইল স্টোনের কাজ করবে, কারন নোটবন্দি থেকে জিএসটিসহ যেকোন ইস‍্যুতে তৃণমঙলের এই নেতা যেভাবে তার তথ‍্য পরিসংখ‍্যান সমৃদ্ধ বক্তব‍্যে সরকারকে বিগত পাচ বছরে বারবার সংসদের ভেতরে বাইরে নাস্তানাবুদ  করেছেন তাতে সৌগত রায়ের ফের সংসদে ফেরাটা যে নরেন্দ্র মোদীর গলার কাঁটা হয়ে উঠবে তা হলপ করেই বলা যায়।যেকারনেই যেকোন মুল‍্যে এই সীটটি তৃণমুলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইছে বিজেপি। যারই কারণে  টাকার বিনিময়ে সিপিএমের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল এমনটাই স্থানীয় সূত্রের দাবি।

ভোটের দিন সজাগ থাকুন,মমতার বার্তা কর্মীদের প্রতি

Mamata Banerjee

শুভাশিস ঘোষ -  নির্বাচনের দিন দলের কর্মীদের সর্বদা সজাগ থাকার নির্দেশ দিলেন খোদ তৃণমুল নেত্রী মমতা ব‍্যানার্জি,যেখানে তার মনে হয়েছে ভোটের দিন ইভিএম মেশিনের কারসাজি থেকে অনেক রকম পন্হা বিজেপি নিতে পারে যেখানে প্রচুর টাকা ছড়িয়ে দলিয় কর্মীদের ভোট নিজেদের দিকে টেনে নিতে পারে এমনটাই তার আশঙ্কা।আর এটা করতে কোথাও এজেন্ট প্রতি পাঁচ হাজার টাকাতো কোথাও ভোটার প্রতি পাঁচশো টাকা দিয়ে ভোট কিনছে এমনও তিনি বললেন।যদিও মুখ‍্যমন্ত্রীর এইসব অভিযোগকে একদমই গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি দল।যেখানে খোদ দেশের নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত বিক্রি হয়ে গেছে এমন অভিযোগও মমতা করেছেন।যা নিয়ে সাধারন মানুষের ভিরে মিশে আমাদের মনেও এই সন্দেহ দানা বাঁধছে নেত্রী যাযা বলছেন তার সবটাই বাজে বকবক বলে উড়িয়ে দেওয়াটা ঠিক নয়।যেমন এদিন ভোটের শেষ প্রহরে বিকাল বেলা ভিআইপি স্টেশন সংলগ্ন অটো স্টান্ডে রীতিমতয়তৃণমুলের পতাকা গাড়িতে ঝুলিয়ে একজনকে বিজেপির পক্ষে প্রচার করতে শুনলাম।বছর চল্লিশের যুবকটি প্রতিটি অটো ড্রাইভারকে পইপই করে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন‍্য আবেদন নিবেদন করছেন।বাইরে দুই ভিতরে এক এই ফর্মূলায় তিনি পদ্মে ছাপ দেওয়ার কথা বলছেন।বাইরে দুই বলতে এক্ষেত্রে তৃণমুলের জোরা ফুলকেই বোঝায়।শুনে একটু ভিমরী খেলাম এই ভেবে যে এই অন্চলের সবকটি অটো ইউনিয়ন এখন টিএমসির হাতে অথচ সেই ইউনিয়নের ব‍্যাচ এঁটেই এই প্রচার।যেখানে নরেন্দ্র মোদীকে ভোট না দিলে তার মা কিঙ্বা ছেলে অথবা নিকট আত্মীয় কেউ মারা যাবেন এমন অভিশাপও করছেন।বোঝাই যায় কিসের তাড়নায় পদ্মে এত মজে শাসক দলের একাংশ।যেখানে কে কত পরিমাণ টাকা পেয়ে দল ও নেত্রীর সর্বনাশ করতে চাইছেন তার কোন ঠোস পরিসংখ‍্যান এই মুহূর্তে দিতে না পারলেও বিষয়টি যে উড়িয়ে দেওয়ার নয় তা হলপ করেই বলে দেওয়া যায়।প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া সব সময় ছিল আছে থাকবে।কিন্তু এবারের নির্বাচনে নূন‍্যতম সাংগঠনিক শক্তি না থাকা সত্বেও জায়গায় জায়গায় বিজেপির আস্ফালন।যাই মাঝে মধ‍্যে তান্ডবের চেহারা নিচ্ছে।আর এইরকম ক্ষেত্রে বিজেপির মানসিক বলভরসা যোগাচ্ছে সেইসব কর্মী নেতা যারা পরিবর্তনের পর সিপিএম ছেড়ে তৃণমুলে এসেছে।যাদের অন্তভুক্তিতে এক বড়সড় ভুমিকা ছিল মুকুল রায়ের।এতদিন তৃণমুলের ঘোরে ঘোগের বাসা বানিয়ে এখন বিজেপির ম‍্যানি ও পানীতে আকুন্ঠ হয়ে প্রচারে নেমেছে।যা হুইসপার ক‍্যাম্পেন বলেই মনে হবে।এরই সাথে আছে এইরাজ‍্যের ভিন রাজ‍্যের অবাঙালি হিন্দীভাষী মানুষদের এক বড়সড় অংশ।এরা মুলতঃ বিহার,ইউপি,রাজস্হান,গুজরাটের বংশবভূত।দীর্ঘদিন এরাজ‍্যে থাকার কারনে রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক কালচারের সঙ্গে অনেকটাই সেটেল্ড হয়ে গিয়েছে।কিন্তু এদের দেশীয় অরিজিনের প্রতি দুর্বলতার কারনে এবং প্রতিষ্ঠান বিরোধী মনোভাব থেকে বিজেপি প্রেমি হয়ে উঠেছেন।যাদের কাছে ধর্মীয় বিষয়টা বেশি করে গুরুত্ব পায়।এনিয়ে বলতে গেলে সম্প্রতি একটা উদাহরণ যথেষ্ট তাহল কিছুদিন আগেই আমাদের এলাকার বিধায়ক কাউন্সিলরের সঙ্গে এলাকার কিছুৎব‍্যবসায়ী অবাঙালিদের সুদীপ বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের সমর্থনে মিছিলে হাটতে দেখলাম।কিন্তু মিছিলে হাটলেও এরা যে ভিতরে ভিতরে বিজেপিকেই ভোট দেবে সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত।আরো উল্লেখ‍্য যে এইখানকার অবাঙালি বহুব‍্যবসায়ীকে দিয়ে এখন টাকা পয়সার লেনদেন চলছে।যাদের হাত দিয়ে পেমেন্ট পাঠানো হচ্ছে বিজেপির দলিয় স্গঠনের কার্যকর্তাদের এবং তাদের চড় তৃণমুলের বিভীষনদের কাছে।যা থেকে একটা জিনিষ পরিস্কার এবারের ভোটে বহু নাটক এখনো বাকি আছে।যা উদ্ঘাটনের দিন ২৩ তারিখ বোঝা যাবে।যা নিয়ে বিদ্রুপের শুরে এক পুরনো তৃণমুল কর্মীর মন্তব‍্য একসময়ে সময়ের ডাক বলে যাদের দলে অন্তর্ভক্তি করা হয়েছিল এখন তাড়াই ছূচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোবার অপেক্ষায়।যেখানে নেত্রীর ইজ্জ্বৎ বাঁচানোর খেলায় এখন তার একমাত্র ভরসা গত সাত বছরে তারয়কাজ আর জনোমোহিনী শক্তি।যাই তাকে এই গভীর চক্রান্ত থেকে রক্ষা করতে পারে।

পঞ্চ ধাতুর বিদ‍্যাসাগর মূর্তি গড়বে বিজেপি। এ যেন জুতো মেরে গরুদান। Ek Jh...



শুভাশিস ঘোষ- এ যেন জুতো মেরে গরুদান, এমনটাই মনে হবে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথা শুনে।  উত্তর প্রদেশের একসভায় বক্তব‍্য রাখতে গিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার ইশ্বরচন্দ্র বিদ‍্যাসাগরের একটি পঞ্চ ধাতুর মূর্তি গড়ে দেবে বিদ‍্যাসাগর কলেজের সেই জায়গায়, যেখানে এই মর্মর মুর্তিটি ছিল। যা নিয়ে খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহল নরেন্দ্র মোদী ভোটের মুখে এইকথা বলে কি বাঙালিকে আরো একবার অপমান করলেন না? যে বাঙালিকে কিছুদিন আগে তার ভাইসম অমিত শা"কাঙাল"বলে কটাক্ষ করে গিয়েছেন সেই একই রকম ইঙ্গিতয়কি এক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদী দিলেন না? এমনই প্রশ্ন উঠে আসছে এদিনের মন্তব‍্যে। কারন দেশের প্রধানমন্ত্রী ভালই জানেন একটি মূর্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শত সহশ্র শতাব্দির ইতিহাস এবং তার সঙ্গে সেই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ‍্য। যাকে কোনভাবেই মূর্তি ভাঙার পর  ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে উত্তর কোলকাতার প্রতিথযশা ঐ কলেজটির মধ‍্যে প্রতিষ্ঠিত আবক্ষ মূর্তির বয়স প্রায় দুশো বছর এমনটাই সূত্রের দাবি। যেখানে নরেন্দ্র মোদীর পঞ্চ ধাতুর তৈরি বিদ‍্যাসাগরের মূর্তি বানিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে আরো একটা বড় বিদ্রুপ বলেই মনে করছে দেশের রাজনৈতিক মহল। যারই বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব‍্যাক্ত করে মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা ব‍্যানার্জি বলেছেন, ঐ মূর্তি বানানোর ক্ষমতা বাংলার আছে। এরজন‍্য নরেন্দ্র মোদীদের দরকার পড়বে না। সুতরাং খুব স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় মূর্তি ভাঙার এই তরজায় আরো একবার বাঙালি সেন্টিমেন্টে আঘাত দিলেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে বাঙালিকে আগেই কাঙাল বলে যে দৃষ্ট্রতা অমিত শা দিখিয়ে ছিলেন সেই একই রকম দৃষ্টতা দেখাচ্ছেন মোদীজি। যার বক্তব‍্য শুনে মনে হতেই পারে তিনি পঞ্চ ধাতুর মূর্তির স্বপ্ন দেখিয়ে বাঙালির ভোট লুট করতে চাইছেন। যা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের আওতায় পড়ে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব‍্য।

গুজরাটের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার!



গুজরাট রাজ্যের আমদাবাদের ভেজাপুরের তিন তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অশোক চৌহান এক ঝলকের ক্যামেরার সামনে  পশ্চিম বঙ্গের নির্বিচন ও  রাজনীতি সম্পর্কে তার মূল্যবান মতামত দিলেন। একঝলকের প্রতিনিধি দিবাকর দত্তকে এক খোলামেলা সাক্ষাতকার দেন তিনি। এক ঝলকে দেখুন তার সেই সাক্ষাৎকারের বিশেষ মুহূর্ত। 

অপদার্থ নির্বাচন কমিশন,বলছেন বিধগ্ধজনেরা।

Election Commission of India

শুভাশিস ঘোষ - নির্ধারিত দিনের একদিন আগেই এরাজ‍্যের নির্বাচনী প্রচারে দাড়ি টেনে দিয়েছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যেখানে ১৯ মে রাজ‍্যের নয়টি লোকসভা আসনের জন‍্য প্রচারের শেষদিন ছিল ১৭ তারিখ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত। কিন্তু এক্ষেত্রে রাজ‍্যে নির্বাচনের প্রচারে আইন শৃঙ্খলার অভাব দেখিয়ে তাকে পূর্ব নির্ধারিত দিনের আগেই অর্থাৎ ১৬ তারিখ রাত দশটার মধ‍্যে পরিসমাপ্তির কথা ঘোষনা করেন। যা নিয়ে সপ্তদশ সাধারন নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে এরাজ‍্যের নির্বাচন কমিশন যে প্রতিক্ষেত্রে ব‍্যার্থ তা বলে বোঝানোর প্রয়োজন পড়ে না। এক কথায় যাকে পক্ষপাতদুষ্ট অদূরদর্শি অযোগ‍্য কমিশন বলে তীব্র কটাক্ষ ভেসে আসছে রাজ‍্যের রাজনৈতিক মহল থেকে। প্রশ্ন হলো কিসের ভিত্তিতে কমিশন এধরনের একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন? প্রসঙ্গত গত ১৪ মে কোলকাতার ধর্মতলা থেকে উত্তর কোলকাতার সিমলায় বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত যে রোডশোর আয়োজন  করা হয় তাকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতি। এদিন অমিত শা র রোডশো চলাকালিন তৃণমুলের পক্ষ থেকে কোলকাতা বিশ্ব বিদ‍্যালয় এবং বিদ‍্যাসাগর কলেজের সামনে ছাত্র বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়, যাতে অমিত শা গো ব‍্যাক ধ্বনি দিয়ে কিছু ছাত্র নাড়াবাজি করেন। যাই কিনা অগ্নিতে ঘৃতাহুতির মতো পাল্টা বিক্ষোভে আক্রান্ত হয় কোলকাতা বিশ্ব বিদ‍্যালয় এবং বিদ‍্যাসাগর চত্বর। ভাঙা পড়ে বিদ‍্যাসাগরের মর্মর মূর্তিটি। যা নিয়ে এরাজ‍্যের বাঙালি আবেগে ভেসে গিয়ে তীবৃর ভাষায় বিজেপি ও তার নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ‍্যের বুদ্ধিজীবি মহল। প্রশ্ন ওঠে যে মিছিল থেকে এই নেক্কারজনক হামলা হয় সেই মিছিলের হোতা যিনি তাকে কেন গ্রেপ্তার না করে কিছু এলিতেলিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে কর্তব‍্য পলনের নাটক করছেন। প্রশ্ন এদিনের মিছিলে কেন এত বাইরের লোক আনা হয়েছিল? যেখানে নির্বাচন বিধি বলে নির্বাচন চলাকালিন বহিরাগতদের উপর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করাই কমিশনের পুলিশের কাজ। সেক্ষেত্রে এদিনের মিছিলে অমিত শার সামনে অংশ নেওয়া বহিরগতরাই যে বিদ‍্যাসাগরের মূর্তিটি ভেঙেছে তার ভিডিও ফুটেজ টিভির পর্দায় ফুটে উঠতেই বাঙালি সমাজ আরো অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠে। যেখানে বাঙলাকে শুরু থেকে অপমানের এক গভীর চক্রান্ত যে রচিত হয়ে চলেছে সেই অঙ্কেই এবার সিলমোহর দিল ভোট প্রচারের দিনক্ষন কমিয়ে এনে।এদিনের কমিশনের সিদ্ধান্তকে একপেশে এবং পক্ষপাত মুলক বলে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ‍্যের মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা ব‍্যানার্জি। তিনি বলেন এদিনের প্রচার পর্ব কমিয়ে দেওয়ার উদ্দশ‍্য হলো বিজেপিকে নির্বাচনে সুযোগ করে দেওয়া, যেখানে নরেন্দ্র মোদীর দুটি রাজ‍্যে নির্ধারিত সভার পড়েই প্রচার প্রক্রিয়ায় ইতি টেনে দেওয়া হলো। যেখানে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ‍্যের অন‍্যান‍্য বিরোধীদল সিপিএম এবং কংগ্রেস। যদিও এই সিদ্ধান্ত অসংখ‍্য ছোট দলের প্রার্থীদের ক্ষতির সম্মুখেও পড়তে হলো এমনটাও বলা যায়

বিদ‍্যাসাগর মূর্তি ভাঙায় প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুললেন নজরুল ইসলাম। Ek Jholok



নিজস্ব প্রতিনিধি- গত ১৪ মে অমিত শার রোডশোকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেভাবে বিদ‍্যাসাগর কলেজে ভাঙচূড় চালায় বিজেপি কর্মীরা। যাদের হাতে বিদ‍্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই বিষয়ে সংবাদ আমাদেরকে প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ‍্যের প্রাক্তন দুধে আইপিএস অফিসার তথা যাদবপুর লোকসভা আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম। যাদবপুর ৮ বি বাস স্টান্ডের সন্নিকটে এক পথসভায় এসে একান্ত সাক্ষাতকার দেন নজরুল সাহেব। তিনি বলেন,অমিত শা র রোডশোকে কেন্দ্র করে যে অপ্রতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার জন‍্য দায়ী বর্তমান সরকার ও তার প্রশাসন। তিনি বলেন,অতীতে আমিও অনেক গুরুত্বপুর্ন পদে ছিলাম। কিন্তু এধরনের ঘটনা কখনো করতে দিইনি। তার কথায় পুলিশ যখন অমিত শাকে রোডশোর অনুমতি দিলেন তখন সেখানে শাসক দলের কর্মীরা কালো পতাকা দেখাতে জমায়েত হলো। আর কেন পুলিশ তাদের সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে সরিয়ে দিল না? নজরুলবাবু বলেন, বলা হচ্ছে পুলিশ এখন নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রনে। কিন্তু এটা একদম বাজে কথা, কারন ল এন্ড অর্ডার সব সময় স্টেট সাবজেক্ট। নির্বাচন কমিশন কেবলমাত্র নির্বাচন দেখেন। তিনি বলেন আসলে মুখ‍্যমন্ত্রী ডায়মন্ড হারবরে যাতে অমিত শা বক্তব‍্য রাখতে না পারেন এবং অভিষেককে জেতানোর জন‍্য এই খেলা খেলেছেন। তিনি এই রাজনীতির তীব্র নিন্দা করেন।