Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

Banner


Trulli

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

ফের আক্রান্ত পুলিস, এবার আমতায়

আমতা
ফের একবার পুলিসকে মারধর করে উদি ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। এবার কালভার্ট নির্মাণ নিয়ে ঝামেলাকে কেন্দ্র করে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার হাওড়ার উলুবেড়িয়া অঞ্চলের আমতার ভান্ডারগাছায়। অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা পাবতি ঢোলে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এদিন ভান্ডারগাছা গ্রামে ৩ কিলোমিটারেরে নতুন একটি রাস্তা নির্মানের কাজ চলছে। অভিযোগ রাস্তার ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও একটা কালভার্ট নির্মান নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। তাঁর জমিতেই কালভার্ট নির্মাণ হচ্ছে বলে অভিযোগ করে পাবতী ঢোলে ও তার পরিবারের সদস্যরা এদিন নির্মাণ কাজে বাধা দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার প্রশাসনের আধিকারিকরা বিষয়টি মিমাংসা করতে গ্রামে পৌঁছে জমি মাপার কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু পার্বতী ও তার পরিবারের সদস্যরা তাদের বাধা দেয়। ঘটনায় এলাকায় যায় স্থানীয় আমত থানার পুলিস। এই বিষয় নিয়ে পুলিসের সঙ্গে হাতাহাতি হয় তাদের। সেই সময় পার্বতী ঢোলে কর্তব্যরত এক পুলিস কর্মীকে মারধর

আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত চিদম্বরমের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ | এক ঝলক News ...



আজ সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত পি চিদম্বরমের ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল। রায় ঘোষণা করে আদালত জানিয়েছে আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আগামী ২৬ আগস্ট সোমবার পর্যন্ত প্রাক্তন এই অর্থমন্ত্রীকে সিবিআই হেফাজতেই থাকতে হবে। এই ক’দিন প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কি বললেন দিলীপ ঘোষ? | এক ঝলক News বাংলা



#এক_ঝলক_News_বাংলা #Dilip_Ghosh

শুভাশিস ঘোষের বিশেষ প্রতিবেদন। ঘুটে পোড়ে গোবর হাসে, কংগ্রেসের অবস্থা ঠিট এরকম।


শুভাশিস ঘোষ- রাজ‍্যের কংগ্রেস নেতাদের এখন বড় দেখতে ইচ্ছা করছে।কিছুদিন আগেই যারা নরেন্দ্র মোদীর সিবিআই এর সপক্ষে গলা চড়িয়ে বলতেন,এরাজ‍্যে নাকি  কান টানলেই মাথা রাস্তায় নেমে আসে।এমনই ইঙ্গিতপুর্ণ কত তির্ষক মন্তব‍্য সিবিআই বনাম কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার এপিসডে দেখা গেছে।এমাত্র কি করলে মমতা ব‍্যানার্জীকে চরম হেনস্হা করা যায় সেই চিন্তায় মসগুল এরাজ‍্যের কংগ্রেস সিপিএম কখনো ভেবে দেখেননি বিপদটা প্রথমিকভাবে মমতার বলে মনে হলেও আদপে সেটা ছিল ভারতীয় গণতন্ত্রের পক্ষে চরম  একটা অশুভ বার্তা।সেদিন যদি সর্বশক্তি দিয়ে মমতা ব‍্যানার্জী পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে বাঁচানোর চেষ্টা না করতেন যদি না তার গ্রেপ্তার রুখে দিতেন তাহলে আজ এরাজ‍্যে এখন তৃণমুল বলে কোন দলের অস্হিত্বই থাকত কিনা সন্দেহ।কারন একজন পুলিশের সর্বময় কর্তা আরেষ্ট হওয়ার পর সেই পুলিশ ফোর্সের মনোবল যে তলানিতে গিয়ে ঠেকতো তাতে এটুকু হলপ করেই বলা যায় যে সারা রাজ‍্যে পুলিশের সিংহভাগ লাগামটাই বিজেপির হাতে চলে যেত।

যেখান থেকে রাজ‍্যের আইন শৃঙ্খলার রক্ষীদের চোখ রাঙিয়ে নিশ্চিন্তে এরাজ‍্যে মমতার দলকে ধুলিসাৎ করে দেওয়া সম্ভব হয়ে যেত।কিন্তু এই যাত্রায় সেটা করা ওদের পক্ষে সম্ভব হয়নি তার কারন বহু লড়াই সংগ্রামের পুরোধা নেত্রী মমতা বুঝে ছিলেন একমাত্র রাস্তাঅই দেখাতে পারে ঘুরে দাঁড়ানোর রাস্তা।তাই সেদিন নরেন্দ্র মোদীর সিবিআইকে এক ইঞ্চি জায়গা না ছেড়ে নিজের পুলিশ দিয়ে তাদের রুখে ছিলেন এবং পুরো বিষয়টাকে রাজনৈতিক পটভুমিতে নিয়ে গিয়ে সম্পূর্ন ন‍্যাঙ্গা করে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী এন্ড কোম্পানিকে।সেদিন আমি বলেছিলাম সিবিআই যেভাবে রাজীব কুমারকে গ্রেপ্তার করতে চেয়েছিল সেটাকে রোখা না গেলে ওর পক্ষে ন‍্যায‍্য বিচার পাওয়া ভবিষ‍্যতে কঠিন হয়ে পড়বে।আমার সেই প্রতিবেদনে এও বলেছিলাম এরপর সিবিআই এর রাজীব পর্ব বিশবাঁও হয়ে যাবে।এপর্যন্ত ঘটনার গতি প্রকৃতি সেই দিকেই যাচ্ছে কিনা তা এই প্রতিবেদনের সুচিন্তিত পাঠকরাই বলবেন।কারন মার্চের সেই রাজীব কুমারকে গ্রেপ্তার করতে চাওয়া সিবিআই আজো রাজীব কুমারকে তাদের হেপাজতে নিতে পারেনি যা পারবে বলে মনেও হয়না।তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই বলতে পারি সেদিন মমতা যে সাহস দেখিয়ে ছিলেন তার কানাকড়ি সাহস যদি পি চিদাম্বরমের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী,রাহুল প্রিয়াঙ্কারা দেখাতে পারতেন তাহলে এই নেতাকে এভাবে এদিন সিবিআই তুলে নিয়ে যেতে পারত না।

   একটা বিষয় পরিস্কার ভারতের গণতন্ত্রের আজ মহা সন্ধিক্ষণের সম্মুখীন যেখানে প্রতি মুহুর্তে এক কঠিন চ‍্যালেঞ্জের মধ‍্য দিয়ে বিজেপি বিরোধী দলদের রাজনীতির ময়দানে বেঁচে থাকতে হবে।দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা এখন ক্রমেই শোচনীয় হয়ে পড়ছে।জিডিপি সর্বকালীন নিম্নমুখী।যেখানে শিল্পের করুন অবস্হার কারনে হুহু করে বাড়ছে বেকারত্ব ও কর্মহীনতা।শুধু মোটরগাড়ি নির্মান শিল্পেই গত কয়েক মাসে দশ লক্ষের বেশি লোক ছাটাই হয়েছেন।টেক্সটাইল শিল্পেও একই অবস্হা।পরিস্হিতি এমন দশায় যে বহু শিল্প মালিক তাদের ব‍্যবসা গুটিয়ে বিদেশে পালাতে চাইছেন।ফলে আগামী কয়ে মাসে দেশের অর্থনীতি আরো সঙ্গীন হয়ে উঠতে বাধ‍্য।এরই সাথে আছে কাশ্মীর সমস‍্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ল‍্যাজেগোবরে হওয়ার আশঙ্কা সেক্ষেত্রে একটা যুদ্ধ ভারতবাসীর কপালে অবসম্ভাবি হয়ে উঠতে পারে ভেবেই মানুষের নজর মুল বিষয়গুলো থেকে ঘুরিয়ে দিতে দিবারাত্র নানা প‍্যাচপয়জার এখন মোদী সরকার নেবে।যেখানে তার অর্থনীতির তীব্র সমালোচক হার্বাড ইউনিভারসিটির এই অধ‍্যাপক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ পি চিদাম্বরমকে ভিতরে নেওয়ার খুব প্রয়োজন হয়ে উঠেছিল।প্রশ্ন তো উঠতে শুরুই করেছে,এই সরকারের বিরোধীতা করা মানেই হয় জেল নয় মৃত‍্যু।যেখানে সুষমা স্বরাজের মৃত‍্যু ও অরুন জেটলির আকস্মিক শোচনীয় শরীর খারাপ সবটাই এখন বিরোধীদের রেডারে বিচার্য বিষয়।মনে হয় ভারতবর্ষ ক্রমেই এক স্বেচ্ছাচার,উন্মাদী একনায়কতন্ত্রের কবলে পড়েছে।

যার পিছনে সাড়েতিনশো নম্বার আর অনেক বেশি কুলাঙ্গার আছে।একটা সেমিনারে বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী পারভীন প‍্যাটেল এক অভিনব তথ‍্য তুলে ধরে বোঝালেন বর্তমান বিজেপির ক্ষমতার মুল চালিকা শক্তিটা ঠিক কোথায়।পারভীন প‍্যাটেল পরিসংখ‍্যান পেশ করে বলছিলেন এবারে বিজেপির টিকিটে যত সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ‍্যে চল্লিশ শতাংশের বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা আছে।যেখানে খুন,ধর্ষনের মত অজামিন যোগ‍্য অপরাধের দায়ে অভিযুক্তরা হলেন প্রায় সিংহভাগ।এদের সংখ‍্যাটা বিজেপিতে প্রায় দুশোর কাছাকাছি। পারভিন সাহেবের বক্তব‍্য খুব তাৎপর্ষবাহী।তিনি বললেন,এরকম দুস্কৃতিদের নিয়ে সরকার চালানোর সুবিধা হল এরা কখনোই দলের নীতি আদর্শের প্রশ্নে ঝগড়া করে দলকে বিপাকে ফেলবেন না।কারন এরাতো মেরুদন্ডহীন।বেশি বেগুরবাই করলেই জেলে ভরে দেওয়ার জুজু দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়াটা সম্ভব।

যেখানে পি,চিদাম্বরমের মত একজন প্রথম সারির নেতাকে জেলে ঢোকানোটা তো খানিকটা ঝি মেরে বৌকে সামঝে দেওয়ার খেলা।যা কিনা দেশের গৃহমন্ত্রী আর প্রধাণমন্ত্রীর হাতে এখন কাঠপুতলির মত আমরা সবাই নাচছি।আর বলছি এটাই আধুনিক ভারতবর্ষ।ডিজিটাল ইন্ডিয়া।সুতরাং যারা এতদিন মমতার বিপদে নাকটিপে মজমা নিতেন আজ তারা পি চিদাম্বরম,ফারুক আবদুল্লাসহ একাধিকয়বাম ডান নেতার গ্রেপ্তারে কি বলবেন! ঠিক করেছেন?

দীঘায় অভিনব জনসংযোগ, চায়ের দোকানে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী | এক ঝলক New...



দীঘায় অভিনব জনসংযোগ, চায়ের দোকানে চা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুধবার ওড়িশা সীমান্তের দীঘার দত্তপুর এলাকায় জনসংযোগে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গরীর মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি। পাশাপাশি শিশুদের জন্য চকোলেটও বিলি করেন। এমনকি দীঘার সায়েন্স সিটির সামনের একটি চায়ের দোকানে ঢুকে চা বানিয়েও খাওয়ান মুখ্যমন্ত্রী।

সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরম গ্রেপ্তার | এক ঝলক N...



অনেক নাটকীয়তার পর কংগ্রেস নেতা ও সাবেক মন্ত্রী পি চিদাম্বরম গ্রেপ্তার



আইএনএক্স মিডিয়া কেলেঙ্কারি মামলায় সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা পি চিদাম্বরমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার রাতে নয়াদিল্লির নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই।



অভিযোগ, ২০০৭ সালে চিদাম্বরমের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ও তাঁর পুত্র কার্তির উদ্যোগে আইএনএক্স মিডিয়া ৩০৫ কোটি রুপি বিদেশি বিনিয়োগ আদায় করে। সেই অর্থ আদায়ের ‘উপহার’ হিসেবে কার্তি ৫ কোটি রুপির মতো ‘দালালি’ পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং ইডির অভিযোগ, অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন বহু অর্থ চিদাম্বরমেরা এইভাবে আদায় করেছেন এবং দুজনে নাকি বিদেশে ১২টির বেশি ব্যাংক খাতা খুলেছিলেন।

কংগ্রেসের প্রতিবাদ



এদিকে চিদাম্বরমের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে তাঁর দল কংগ্রেস। দলের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী ও সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা টুইট করে গোটা বিষয়টিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

চিকিৎসায় অনাচার, আমরির গেটে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ | এক ঝলক News বাংলা



শুভাশিস ঘোষ- "রাঙিয়ে দিয়ে যাও,যাওগো এবার যাবার আগে" কবি গুরুর গানের এই কটি শব্দ আজ বড় বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে যখন দেখা যায় প্রতি বছর ২০ আগষ্ট নিয়ম করে কোন বাবা মা কে চোয়াল শক্ত করে চিকিৎসায় অনাচার অবিচার দুর করতে শহরের প্রতিথযশা বেসরকারি হাসপাতালের সামনে ধর্না দিতে। আজ থেকে পনেরো বছর আগে ২০০৪ সালের এই দিনে  চিকিৎসায় অনাচারের শিকার হয়ে অকালে ঝড়ে গিয়েছিল  এক বছর দশের ফুটফুটে শিশু কন‍্যা"অন্তর্লীনা"। সল্ট লেকের বাসিন্দা ডা, দেবপ্রিয় মল্লিকের কন‍্যা সন্তানকে সেদিন অকালে চলে যেতে হয়েছিল কিছু লোভি মুনাফাখোর ডাক্তারদের চরম নেগলেন্সির কারনে। প্রশ্ন উঠেছিল বাম আমলের এইসব ব‍্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা শহরের বুকে কর্পোরেট হসপিটালগুলোর ভুমিকা নিয়ে। যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢেলেও মানুষ আজো সুচিকিৎসা পায়না। তাই প্রয়শই ওঠে এইসব নার্সিং হোম বেসরকারি হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে অপচিকিৎসায় মৃত‍্যুর অভিযোগ। যা নিয়ে বর্তমান সরকারের আমলে চিকিৎসায় অনাচার রুখতে গড়ে তোলা হয়েছে ক্লিনিকাল এস্টাবলিসমেন্ট অ্যাক্ট কমিশন। যাতে যেকোন অনাচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে মানুষ তার সুবিচার চাইতে পারেন। এদিন আমরির গেটে মোমবাতি প্রজ্বোল্লনের মধ‍্য দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে প্রয়াত শিশু কন‍্যার বাবা আমাদের বললেন, যে কারনে তার দুধের কন‍্যা সন্তানের জীবন অকালে ঝড়ে গেছে সেই রকম অন‍্যায় যাতে অন‍্য বাবা মায়েদের সাথে না হয় তার প্রতিবাদ করতেই প্রতি বছর নিয়ম করে এখানে আসা। এইদিনকে তাই তারা চিকিৎসায় অনাচার বিরোধী দিবস হিসাবে প্রতি বছর পালন করে আসছেন। যা নিয়ে সাধারণ মানুষের উৎসাহ থাকে চোখে পড়ার মতন।