Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Breaking News

ভিডিও

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

লাইফস্টাইল

TECH ঝলক

Sports ঝলক

বিনোদন ঝলক

নিজের নির্বাচনী সভায় অনুপস্থিত,মাঝপথে রণে ভঙ্গ শান্তনুর? Ek Jholok



টাকার অংক নিয়ে মতবিরোধেই মাঝপথে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু?

তৃণমূলে ভাঙন, অর্জুনের হাত ধরে বিজেপিতে বিধায়কের ছেলে | Ek Jholok



মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, তখন বারাকপুর শিল্পাঞ্চলেরই এক তৃণমূল বিধায়কের ছেলে যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে বিজেপি যোগ দিলেন নোয়াপাড়ায় বিধায়ক সুনীল সিংয়ের ছেলে আদিত্য। তাঁর সঙ্গে দল ছাড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় হাজার দুয়েক কর্মীও।

ভোটার পরে তৃণমূলের নিরাপদ আশ্রয় বিজেপি - অমিয় পাত্র। Ek Jholok



রবিবারের প্রচারে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়েছেন বাম প্রার্থী অমিয় পাত্র। বাঁকুড়া লোকসভার অধীন একদা লালদুর্গ বলে খ্যাত হীড়বাধ ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রচার চালান। মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্ৰহনে তাদের জয় বলেই মনে করেন অমিয় বাবু। তিনি‌ জানান ,এবার আর দুর্নীতি নয়,নিরাপদ জায়গা খুঁজছে তৃনমূল। ইতিমধ্যে মোদীর কাছে অনেকেই পৌছে গেছে। অনেকেই দিদির সঙ্গে যাবেন। তার সাফ দাবী ,এবার কেন্দ্রে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার আসছে।


ব্রিজ নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। টাকা নয়ছয়ের প্রমান এক ঝলকে। Ek J...



শুভাশিস ঘোষ - উত্তর চব্বিশ পরগনার হেমনগর পারঘুন্টী সংযোগকারী গোমতী নদীর উপর প্রস্তাবিত ব্রিজ সম্পর্কে ইতিমধ‍্যেই আমরা প্রকাশ করেছি কিভাবে এই ব্রিজ নির্মানের টাকা নয়ছয় হয়েছে। যারই আরো কিছু তথ‍্য আমাদের হাতে এসেছে , এই পর্বে আমরা সেটাই আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। যেটা প্রমাণ করবে নির্মিয়মান ব্রিজের টাকা নিয়ে কি পরিমান দুর্নীতি হয়ে চলেছে।

বাংলাকে দশ বছর আগের বিহারের সঙ্গে তুলনা করে বাঙালিকে অপমান করছে কমিশন-মমতা।

শুভাশিস ঘোষ - এরাজ‍্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ভোট পরিচালনায় আদৌ কোন সদর্থক ভুমিকা পালনের ইচ্ছা আছে নাকি বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে মাইলেজ পাইয়ে দেওয়ার ম‍্যানডেট নিয়ে রাজ‍্যে ভোট পরিচালনা করতে এসেছেন সে নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল। 

সম্প্রতি রাজ‍্যের পাঁচটি লোকসভা নির্বাচন পরিসমাপ্তির পর দেখা যাচ্ছে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন কিছু হিংসা ছাড়া ভোট পর্ব সার্বিক শান্তিপূর্ন ও অবাধ হয়েছে। অত‍্যন্ত এমনটাই বলেছেন রাজ‍্যের দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক বিনোদ দুবে। অথচ সেই কমিশনের পশ্চিম বঙ্গের বিশেষ নিযুক্ত পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক সম্পূর্ন অন‍্য কথাই বললেন। তার মতে পশ্চিম বাংলার বর্তমান আইন শৃঙ্খলা ১০ বছর আগের বিহারের সমতুল‍্য। যা নিয়ে ইতিমধ‍্যেই রাজ‍্যের রাজনৈতিক মহলে ব‍্যাপক তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।প্রশ্ন উঠছে এরাজ‍্যের নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত বর্তমান কতৃপক্ষের নিরপেক্ষতা কতখানি তাই নিয়ে। যেখানে এধরনের মন্তব‍্যে বাংলার অপমান দেখছেন রাজ‍্যের মাননীয়া মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা ব‍্যানার্জি। 

Mamata Banerjee

প্রসঙ্গত উল্ল‍খ‍্য হলো ২০০০ সালে তৎকালিন লালু প্রসাদ যাদবের মুখ‍্যমন্ত্রী সময়কালে বিহারের আইন শৃঙ্খলার ব‍্যাপক অবনতি হয়। বরাবর বাহুবলি নেতা নেত্রীদের নিয়ে গড়ে ওঠা এই রাজ‍্যের রাজনীতিতে অপরাধীদের মুক্তাঞ্চল ছিল প্রায় সবকটি রাজনৈতিক দলেই। যেখানে মাধেপুরার পাপ্পূ যাদব থেকে সিওয়ানের শেখ শাহাবুদ্দিন বিহার রাজনীতির হর্তাকর্তা বিধাতা ছিল বলা যায়। এদের মধ‍্যে অনেকেই জেলে বসেই নির্বাচনে জিতে গেছেন এমনও নজির অতীতে বহুবার দেখা যেতো। যে কারনে খুন, অপহরণ, তোলাবাজী এসবছিল এই প্রদেশের নিত‍্য সঙ্গী। বলা যায় গোটা দেশের মধ‍্যে সবচেয়ে পচা গন্ধময় পরিবেশ বলতে যদি কোন জায়গাকে বোঝানো হতো তো বিহার ছিল সর্বাগ্রে। 

এনিয়ে একটা ভারি মজার চুটকি তখন লোকের মুখে মুখে শোনা যেত। একবার কাশ্মীর সমস‍্যার সমাধান করতে পাকিস্তানকে নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয় যে কাশ্মীর নিতে হলে সঙ্গে বিহারকেও নিতে হবে। এই প্রস্তাব শুনে তৎকালিন পাকিস্তানের নাওয়াজ শরিফ সরকার নাকি আঁতকে উঠেছিল।চিৎকার করে নাওয়াজ শরিফ সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এমনটাই বিহার নিয়ে হাস‍্যরস গোটা ভারতে তখন মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। পরিস্থিতি  এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে পড়েছিল যে কেন্দ্রের বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন এডিএ সরকার বাধ‍্য হয়ে বিহারে ৩৫৬ ধারা জারি করে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে।যদিও পরবর্তি সময় সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে এই নির্দেশ প্রত‍্যাহার করতে হয়েছিল তৎকালিন বাজপেয়ী  সরকারকে। 

সুতরাং তৎকালিন বিহার পরিস্থিতির  সঙ্গে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদৌ কতটা মিল আছে তা নিয়ে কোনরকম তুলনামুলক পরিসংখ‍্যান ছাড়াই যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এমন কথা বলছেন সেটা ভাবাই অন‍্যায়। যেখানে নির্বাচনের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে রাজ‍্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে এধরনের মন্তব‍্য কমিশনের নিজের গায়ে থুতু ছেটালেন এমনটাই মনে করছেন কেউ কেউ।

এবার দেখা যাক কি পরিস্থিতি এমন নির্বাচন কমিশন দেখলেন যার পরিপেক্ষিতে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই মন্তব‍্য। এখানে এপর্যন্ত দু দফায় পাঁচটি কেন্দ্রের ভোট হয়েছে। যেখানে প্রথম দফার প্রায় আঠারোশো বুথের মধ‍্যে আটশোটি বুথে আধা সেনা দেওয়া হয় বাকিগুলো রাজ‍্য সরকারের সশস্ত্র পুলিশের নিয়ন্ত্রনেই হয়। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে। যেখানে হাতে গোনা দু একটি বুথ ছাড়া সর্বত্র ভোটদান ছিল শান্তিপূর্ন এবং অবাধ। একই  ভাবে দ্বিতীয় দফার 
 র্জিলিং, জলপাইগুড়ি, রায়গন্জ সর্বত্রই ছিল অবাধ ও শান্তিপূর্ন ব‍্যাতিক্রম শুধু চোপড়া এবং গোয়ালপোখর বিধানসভার হাতেগোনা দুটি বুথ ছাড়া। যেখানে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় সেখানে আধাসেনা দিয়ে ভোট হয় এবং শেষপর্যন্ত সব ইচ্ছুক ভোটাররাই তাদের ভোট দিতে পেরেছেন। প্রায় পচাত্তর শতাংশ গড়ে ভোট পড়ে। যেখানে এই দিনের অন‍্যান‍্য রাজ‍্যের ভোট পারসেন্টের থেকে অনেকটাই বেশি বলা যায়। এমনকি বাণিজ্য নগরী  হিসাবে চিহ্নিত মহারাষ্ট্রে যেখানে গড়পরতা ভোটারের সংখ‍্যা মাত্র ৫৩% সেখানে এই দুফায় এরাজ‍্যের পরিসংখ‍্যান যথেষ্টই আশা ব্যাঞ্জক  ও উদ্বিপক বলা যায়।

West Bengal


অথচ এই দুফার নির্বাচনে দেশের অন‍্যপ্রান্তের চেহারাটা কি একটু সেদিকে নজর দিন যেখানে ভোটের প্রথমদিনেই ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের ল‍্যান্ডমাইন বিস্ফোরনে উড়ে গেছে একটি আধাসেনার বিশাল কনভয়। নিহত হয়েছেন বিজেপির একজন বিধায়কসহ চারজন সিআরপিএফ জোয়ান, একই সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশে ভোটের সময় সংঘর্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বেঙ্গালারুতে বুথ দখল আটকাতে বিএসএফ জোয়ানদের প্রকাশ‍্যে গুলি চালাতে হয়েছে।এমনকি বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে সেখানকার ভোটের দিনই পিছিয়ে ১৮ তারিখের পরিবর্তে আগামী ২৩ তারিখ করা হয়েছে। এত সব ঘটনার পরেও এরাজ‍্যের নির্বাচনে এখনো একটিও হতাহতের খবর নেই যা থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায় যে বঙ্গের আইন শৃঙ্খলা দশবারো বছর আগের বিহারের সমগোত্রীয়।

যা শুনে মনে হতেই পারে গোটা দেশবাসীর চোখে বাংলাকে ছোট করার পরিকল্পনা ও ছক কষেই কিছু মানুষ এগোতে চাইছেন। যাদের উদ্দেশ‍্যই হলো বাঙালিকে হেয় করা। যেখানে বাংলা যে বাঙালিদের হাতে নিরাপদ নয় হরেদরে সেটাই বোঝানোর চেষ্টা। যারই পিছনে অবাঙালি হিন্দীভাষীদের চক্রান্ত দিনের আলোর মতো পরিস্কার। যার শুরুটা হয়েছিল স্বাধীনতার পূর্বেই ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের বাংলা ভাগের যড়যন্ত্রের মধ‍্য দিয়ে। সেদিন সেই চক্রান্তকে রুখতে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পথে নেমে রাখি বন্ধন উৎসবের মধ‍্যদিয়ে বাঙালির ঐক‍্যকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও স্বাধিনতার উষাকালেও থেমে থাকেনি বাঙালিকে দুর্বল করার চক্রান্ত। দেশ ভাগের মধ‍্য দিয়ে যার পরিসমাপ্তি ঘটলেও এখন আবার নতুন করে বাঙালীকে হীনজাতি হিসাবে প্রতিপন্ন করার জঘন‍্যতম খেলা শুরু হয়েছে। যারই শরীক হয়েছেন কিছু দালাল ঘরশত্রু আর গদ্দার। এরা একদিন নিজেদের স্বর্থে দ্বিখন্ডিত বাঙালিসত্তাকে মেনে নিয়ে অবাঙালীদের হাতে নিজেদের ভূত ভবিষ‍্যতকে সপে দিয়েছিল।

তেমনি আজো নিজেদের ব‍্যাক্তি সত্বাকে জলাঞ্জলি দিচ্ছেন নিজেদের ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে। তা নাহলে প্রশ্ন তুলে বলাই যেতো কিসের ভিত্তিতে বাংলা কে বিহারের সঙ্গে তুলনা টানা? কিছু মুনাফালোভী গুটখাখোড় অবাঙালির পায়ে বাঙলাকে সঁপে দেওয়ার আগে সেই বাঙালি কি একবারও ভাববে না বীর ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকি, বিনয় বাদল দীনেশের কথা। ভাববে না নেতাজী সুভাষ, দেশবন্ধু চিত্তরন্জন কিংবা মাষ্টারদা সূর্ষ সেনের কথা? আজ যে বাঙালীকে বিহারের সঙ্গে তুলনা টেনে ছোট করার চেষ্টা হচ্ছে তারা ভুলে যাচ্ছে এই বাংলাই ষাটের দশকে সত্তরের দশকে সারা দেশে আগুন খেকো সশস্র বিপ্লবীর জন্ম দিয়েছিল। যেখানে বাঙলার অপমান করে কেউ পার পাওয়ার চেষ্টা করলে বাঙালি তার সমুচিত জবাবই দেবে এমটা আশা করাই যায়।


ভোটার পরে তৃণমূলের নিরাপদ আশ্রয় বিজেপি - অমিয় পাত্র। Ek Jholok

রবিবারের প্রচারে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়েছেন বাম প্রার্থী অমিয় পাত্র। বাঁকুড়া লোকসভার অধীন একদা লালদুর্গ বলে খ্যাত হীড়বাধ ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রচার চালান। মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্ৰহনে তাদের জয় বলেই মনে করেন অমিয় বাবু। তিনি‌ জানান ,এবার আর দুর্নীতি নয়,নিরাপদ জায়গা খুঁজছে তৃনমূল। ইতিমধ্যে মোদীর কাছে অনেকেই পৌছে গেছে। অনেকেই দিদির সঙ্গে যাবেন। তার সাফ দাবী ,এবার কেন্দ্রে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার আসছে।

শান্তিপুরে পদযাত্রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। Ek Jholok



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৫ জানুয়ারি, ১৯৫৫) পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী। বর্তমানে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ... ১৯৯১ সালে নরসিমা রাও মন্ত্রিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানব সম্পদ উন্নয়ন, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোনীত হন।